শিশুদের ১০ টি রোগের প্রতিকার আয়ুর্বেদিক মতে

শিশুদের ১০ টি রোগের প্রতিকার আয়ুর্বেদিক মতে

আমাদের শিশুদের যখন রোগ হয় তখন আমরা সবাই আতঙ্কিত হয়ে যাই।  শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত দেখা যায়।  যখন আমরা বুঝতে পারি না যে এই রোগের জন্য আমরা ঘরোয়া বা আয়ুর্বেদিক কি কি চিকিৎসা নিতে পারি। তাহলে দেখে নিন এখানে বসসি রোগের প্রতিকার কিভাবে করবেন আয়ুর্বেদিক মতে-

১. শিশুদের সাধারণত সর্দি জ্বরে হলে- 

তুলসীপাতার রস বা ব্রাহ্মী শাকের রস মধু মধু সহ দিনে দুই থেকে তিনবার দিলে পাওয়া উপকার  যাবে।

২. দুধ তোলা –

বৃহতী কন্টিকারি ফলের রস মধু ও ঘৃতের সহ লেহন করালে উপকার হবে।

৩. কোষ্ঠবদ্ধতা –
  • পানের বোঁটা মধু দিয়ে মলদ্বারে প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষণ রাখলে মলত্যাগ হয়।
  • বকুল দানা বেটে মলদ্বারের বাইরে প্রলেপ দিলেও পায়খানা পরিষ্কার হয়।
৪. বমি ও অতিসারে – 

বেল শুঁঠ ও আমের আঁটি সিদ্ধ করে সেই ক্কাথ খৈ-চূর্ন ও চিনি মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুর বমন ও অতিসার দূরহয়।

৫. আমাশয় হলে –

খৈ চূর্ণ, যষ্টিমধু চূর্ণ, মধু ও চিনি ধোয়া জল সহ খাওয়ালে আমাশয় রোগ দূর হয়।

৬. দাঁত ওঠায় –

দাঁত না উঠে যন্ত্রণা হলে স্ত্রীর ধান দিয়ে দাঁতের মাড়ির চিঠি দিলে সহজে দাঁত ওঠে।

৭ . চোখের রোগ –

দারুহরিদ্রা মিথ্যা ও গিরিমাটি ছাগলের দুধে পেটে চোখের বাইরে প্রলেপ দিলে শিশুদের চোখের রোগ নিরাময় হয়।

৮. শ্লেমা সর্দি কাশি –
  • কয়েকটি ড্রোনফুল, মধুর সাথে মর্দন করে ফুল ফেলে মধুর সঙ্গে খাওয়ালে বদ্ধ শ্লেমা বমির সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
  • পুরানা তেতুল ও আখের গুড় অল্প জলে গুলে ১ মাস বয়সে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টার বেশি বয়সী ২0 থেকে ৩0 ফুট পর্যন্ত খাওয়ালে সর্দি কাশি ভালো হয়।
৯ .যকৃতের দোষে –

কাঁচা হলুদ ও কালো মেঘবেটে দুই রতি পরিমাণ বড়ি তৈরি করে, একটি বড়ি একদিন অন্তর ঠান্ডা জল সহ খেতে দিলে খুব উপকার হয়।

১০. পুষ্টি ও বল বৃদ্ধিতে – 

অশ্বগন্ধা ২ চামচ, দুধ ২৫০ গ্রাম, জল ১ লিটার  একসঙ্গে ফুটিয়ে জল শুকালে এই দুধ চিনি মিশিয়ে মিশিয়ে খাওয়ালে শিশুদের বেশি পুষ্টিকর বৃদ্ধি হয়।

 

*****প্রাচীনকাল থেকেই প্রাচ‍্য ও প্রতীচ‍্য চিকিৎসকগণ ও ঋষিগন বলে আসছেন স্বাস্থ‍্যইসম্পদ। প্রকতপক্ষে পার্থিব যাবতীয় ধনসম্পদ অর্জনের মৌলিক সহায়কারী হিসাবে মানুষের স্বস্ব‍্যেরই স্থান প্রধান। স্বস্থ‍্য বলতে শরীরটী মোটা শক্তিশালী ও কার্যক্ষম হলে চলবে না।***

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Change Language