হাম বা বসন্ত হলে কি করবেন! জানুন তার কারণ লক্ষন ও চিকিৎসা আয়ুর্বেদিক

হাম বা বসন্ত হলে কি করবেন! জানুন তার কারণ লক্ষন ও চিকিৎসা আয়ুর্বেদিক

হাম বা বসন্ত:

অনেক সময়ই দেখা যায় আমাদের বাড়ির কারুর বা প্রতিবেশী কারুর ……. শরীরে ফুসকুড়ি এর মতো কিছু বেরিয়েছে বা জ্বর বা গলা ব্যথা কিন্তু ওষুধ খেলেও তা কমছে না ।সেই জায়গায় আপনার বেশি দেরি না করে বুঝে নিতে হবে সেটা সাধারণ কিছু নয়। আর সাধারণত একটা কথা হাম বা বসন্ত হয়েছে ইটা জানার পরে তাড়াহুড়ো করে সেটা কি করে ভালো  হবে আগে ওই কাজ তা না করে পুরো শরীরে যে হুম বা বসন্ত হয়েছে সেটা আয়ুর্বেদিক মোতে আগে বের করবে ও তার পরে হাম বা বসন্ত কে পাকাবেন মানে সেটা যেনো পেকে যায় ও তার পরে শুকোনোর দিকে নজর দেবেন. তাহলে জেনে নিন হাম বা বসন্ত হলে কি করবেন এবং কিভাবে বুঝবেন…………

কারণ ও লক্ষণ : 

ভাইরাস এর এই কারণ. প্রথমে জ্বর ও তার দু -এক দিন এর মধ্যে হাম বা বসন্ত দেখা দেয়. কফ, সর্দি এবং কাশিও থাকে. অনেকের গলার দুপাশে গ্ল্যান্ড ফুলে যায়।

হাম বা বসন্ত হলে উপবাস অথবা যাতে বসে যায় সেরকম আহার করা উচিত নয়. রোগীকে জোলাপ দেওয়া চলবে না.ঘর যাতে পরিস্কার থেকে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে. গা চুলকালে নিমের চাল বলবে, কখনোই নখ দিয়ে চুলকাবে না।

চিকিৎসা :  

  • পাটপাতা ও মেথি ভিজানো জল দিয়ে গা মুছিয়ে দিয়ে হাম বা বসন্ত বেরিয়ে যায়।
  • মেথি ভেজানো জল খাওয়ালে এগুলি বেরিয়ে যায়।
  • কলমি শাকের রস খাওয়ালে এগুলি বেরিয়ে যায়।
  • করলা পাতার রসের সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে, অথবা তেলাকুচা পাতার রস কাঁচা হলুদের রসের সঙ্গে খেলে ও এগুলি বেরিয়ে যায়।
  • ব্রাম্ভী শাকের রস মধুর সঙ্গে খেলে এগুলি বেরিয়ে যায়।
  • শুকনো কুলের শেষ চূর্ণ করে আখের গুড়ের সঙ্গে লেহন করলে বসন্ত তাড়াতড়ি পেকে যায়।
  • বসন্তের গুটি পেকে গেলে কাঁচা হলুদের রস ও গাওয়া ঘি এক সঙ্গে মিশিয়ে তুলি দ্বারা সারা দেহে মাখিয়ে দিলে বসন্তের ঘা সাধিত হয় এবং শুকিয়ে যায়।
  • চাল ধোয়া জল বার বার পা ধুইয়ে দিলে পায়ের তলার জ্বালা কমে।
  • ঘুঁটের চাই পরিষ্কার করে ছেঁকে বসন্তের খাটের ওপর অল্প অল্প ছড়িয়ে দিলে গায়ের ওপর কমি হয় না।
  • ঘা শুকিয়ে এলে ডাবের জল দ্বারা বারবার ধুইয়ে দিলে মুখে বা দেহের অন্য স্থানে দাগ থাকে না ।

বসন্তের প্রতিষেধক : 

  • উচ্ছে পাতার রস ১০০ গ্রাম খেলে বসন্তের প্রতিকার হয়।
  • কন্টকারীর মূল ১/২ চামচ পরিমাণ নিয়ে আড়াই গোলমরিচ সহ এক দিন খেলে সে বছর বসন্তের ভয় থাকে না।
  • পুনর্ণবার মূল অল্প পরিমাণ নিয়ে আড়াইটায় গোলমরিচ সহ খেলে এক বছর বসন্তের ভয় থাকে না ।
  • নিম গাছের ছাল, ক্ষেতপাড়া,অকনাদি,পলতা,কটকী, বাকল ছাল, দুর্লভ, আমলকি, বেনার মূল, শ্বেতচন্দন কাঠ ও রক্তচন্দন কাঠ প্রত্যেকটি ১/৪ চামচ পরিমাণ নিয়ে মাটির হাড়িতে করে ১/২ লিটার জল দিয়ে সেদ্ধ করুন, ১০০ গ্রাম জল অবস্হিত থাকতে নামিয়ে ছেঁকে খাওয়ালে বসন্তরোগ সব অবস্থায় উপকার হয় . দেহ শোধিত হয় এবং গুটি বসে গেলেও পুনরায় বেরিয়ে যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Change Language